ডিসেম্বর প্রান্তিক শেষে লোকসান দাঁড়ায় ১৮ কোটি টাকা। আর ছয় মাসের হিসাবে এই লোকসান দাঁড়ায় প্রায় ৫১ কোটি টাকায়।
হোটেলের একটি সুত্র জানিয়েছে, হোটেলের ভিভিআইপি একটি স্যুট, যেটির প্রতিদিনের ভাড়া দুই লক্ষ টাকার বেশি সেটা উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়ার দখলে, ২ টি জুনিয়র স্যুট যেটির দৈনন্দিন ভাড়া ১ লক্ষ টাকার বেশি তারা দখল করেছে। দুইটি জুনিয়র স্যুট যার একটি হাসনাত আব্দুল্লাহ অন্যটি সারজিস আলমের দখলে।
একইসাথে ডাবল বেডের আরও ৭ টি রুম, যেগুলোর ভাড়া গড়ে ৫০ হাজার টাকার বেশি সেগুলো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের জন্যে অলিখিতভাবে বরাদ্দ রয়েছে।
আগস্ট মাসের ১১ তারিখ থেকেই এসব রুম দখলে রেখেছেন তারা। গত আট মাসে এই রুমগুলোর ভাড়া বাবদ হোটেল কর্তৃপক্ষের আয় হতো অন্তত ৬ কোটি টাকা।
এছাড়াও উপদেষ্টা, সমন্বয়ক ও তাদের গেস্টদের খাবারের বিল ও পানীয়(মদ) বিলও অন্তত ৫ কোটি টাকা দেয়নি বলে জানিয়েছে হোটেলটির একাধিক কর্মকর্তা।


0 Comments