Header Ads Widget

#

Designate Bangladesh’s Jamaat-e-Islami as a Foreign Terrorist Organization

Michael Rubin


বাংলাদেশের জামাত ইসলামী পাকিস্তানের [ISI] সমর্থন নিয়ে বাংলাদেশে গণহত্যা এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছে -আমেরিকান ফেলো -মাইকেল রুবিন                                                                                                                        বাংলাদেশ গত ৫ আগস্ট ২০২৪ এ প্রতিবাদকারীরা বাংলাদেশে শেখ হাসিনাকে উৎখাত করে দিয়েছেন, যিনি দেশের দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামী লীগ রাজনীতি এবং বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুরের কন্যা। শেখ হাসিনা প্রাণ বাঁচাতে দেশ ছেড়ে চলে যান (তিনি কখনও আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেননি), এবং প্রতিবাদকারীরা নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনুসকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক হিসেবে মনোনীত করেন।যদিও প্রতিবাদকারীরা তাদের কর্মপন্থাকে বিদেশী স্বার্থ এবং রাজনৈতিক স্বার্থে নিজেদের মতো ব্যবহার করেছে । এক্ষেত্রে মূল বিষয় হল জামাত-ই-ইসলামী, একটি কঠোর ইসলামপন্থী গোষ্ঠী যা সন্ত্রাসবাদে গভীরভাবে জড়িত।জামাত-ই-ইসলামী পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই) এজেন্সির সক্রিয় সমর্থন নিয়ে সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছে,জামাত-ই-ইসলামীর উত্থান ১৯৪১ সালের দিকে। মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রভাবিত, এর প্রতিষ্ঠাতা সায়েদ আবুল আলা মওদুদী পশ্চিমা এবং উদার গণতন্ত্রকে প্রত্যাখ্যান করে এক অত্যন্ত রক্ষণশীল ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিই তাদের লক্ষ্য ।যেভাবে মুসলিম ব্রাদারহুড হামাস, গামা'আ ইসলামিয়া (যারা মিশরের প্রেসিডেন্ট আনওয়ার সাদাতকে হত্যা করেছিল), এবং আল কায়েদার মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী সৃষ্টি করেছে, ঠিক তেমনি জামাত-ই-ইসলামী দক্ষিণ এশিয়ায় জইশ-ই-মুহাম্মদ, হর্কাত-উল-মুজাহিদিন এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানসহ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তৈরি করেছে। এটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ গণহত্যায় গভীরভাবে জড়িত ছিল, যেখানে প্রায় ৩ মিলিয়ন লোক নিহত হয়েছিল। এই কারণে, অনেক বাংলাদেশি জামাত-ই-ইসলামীর সদস্যদের যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিবেচনা করেন।                                                                                                                                        শেখ হাসিনার উৎখাতের পর ড.ইউনুস যুদ্ধের পথে চলে গেছেন, এক হাজারেরও বেশি সাংবাদিককে কারাগারে পাঠিয়েছেন, জামাত-ই-ইসলামী সন্ত্রাসকে বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিয়েছেন এবং স্থানীয় আল কায়েদা শাখাগুলিকে কারাগার থেকে মুক্তি দিয়েছেন। সংখ্যালঘুদের উপর হামলা হচ্ছে,নারীরা আতঙ্কিত,সন্ত্রাসীরা হত্যাকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে । বর্তমানে  ড. ইউনুস এবং বাংলাদেশ জামাত-ই-ইসলামী এখন আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে কূটচাল চালছে                                                                                                                        আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের একজন সিনিয়র ফেলো, যেখানে তিনি ইরান, তুরস্ক এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে বিশেষজ্ঞ-মাইকেল রুবিন বলেন জামাত-ই-ইসলামী একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং এটি একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী যা মৌলিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে কাজ করছে। তানি বলেন, জামাত-ই-ইসলামীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করা অত্যন্ত জরুরি ।তিনি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে এই বিষয়ে নজরে রাখতে বলেন


 To judge Jamaat-e-Islami by both its friends and its actions is to come to a singular conclusion: In both Pakistan and Bangladesh, Jamaat-e-Islami is a terrorist organization. The State Department should designate it as a foreign terrorist organization. The secretary of the treasury should also designate the group’s assets and property under Executive Order 13224, which President George W. Bush signed after the Sept. 11 terrorist attacks.

Terrorism left to fester snowballs. In Bangladesh, it has found fertile ground. Rather than normalize a group guilty of genocide and empowering al Qaeda, President Donald Trump and Secretary of State Marco Rubio should reverse the neglect and ideological naivete of President Joe Biden and Secretary of State Antony Blinken and designate Jamaat-e-Islami for what it is: a terrorist group as deadly and ideologically driven as Hamas or al Qaeda.

Post a Comment

0 Comments